abce67-এর শুরুটা খুব বড় অফিস বা বিশাল টিম নিয়ে হয়নি। কয়েকজন মানুষ মিলে ভেবেছিলেন — বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং করতে গেলে কেন এত সমস্যায় পড়তে হবে? পেমেন্টে ঝামেলা, ক্লান্তিকর নিবন্ধন প্রক্রিয়া, বাংলায় কোনো সাহায্য নেই — এই অভিজ্ঞতাটা পরিবর্তন করার ইচ্ছা থেকেই abce67-এর জন্ম।
শুরু থেকেই লক্ষ্য ছিল একটাই — বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের জন্য এমন একটা জায়গা তৈরি করা যেখানে বিকাশে সহজে টাকা দেওয়া যাবে, বাংলায় সমস্যার সমাধান পাওয়া যাবে, আর জয়ের টাকা তুলতে গিয়ে ভ্রু কুঁচকে বসে থাকতে হবে না। সেই লক্ষ্য আজও পাল্টায়নি — শুধু পথটা আরও বড় হয়েছে।
আজ abce67 বাংলাদেশের লক্ষাধিক মানুষের পরিচিত নাম। ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, রাজশাহী থেকে খুলনা — সারা দেশে abce67-এর সক্রিয় খেলোয়াড় আছেন। ক্রিকেট সিজনে সার্ভার লোড দেখলে বোঝা যায়, এই প্ল্যাটফর্মটা মানুষের কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
আমরা একটা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান না, আমরা মানুষের বিনোদনের সঙ্গী — সেটা মাথায় রেখেই abce67-এর প্রতিটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
— abce67 প্রতিষ্ঠাতা দলের মূলনীতিabce67-এর মূল শক্তি তার প্রযুক্তি নয়, বরং মানুষের সাথে সম্পর্ক। প্রতিটি অভিযোগ, প্রতিটি পরামর্শ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়। একজন খেলোয়াড় যদি রাত ১১টায় পেমেন্ট নিয়ে সমস্যায় পড়েন, তখনও সাপোর্ট টিম বাংলায় সাহায্য করতে প্রস্তুত থাকে। এই ছোট ছোট বিষয়গুলোই abce67-কে আলাদা করে।
প্ল্যাটফর্মের মূল সুবিধাগুলো এক নজরে
বিকাশ, নগদ ও রকেটে সরাসরি ডিপোজিট ও উইথড্রয়াল — ৩০ সেকেন্ডে ডিপোজিট নিশ্চিত, ১৫ মিনিটে জয়ের টাকা হাতে। কোনো লুকানো ফি নেই।
ক্রিকেট, ফুটবল ও অন্যান্য খেলা সরাসরি দেখার সুবিধা abce67-এ। ম্যাচ চলার সময়ও বেট পরিবর্তন করুন, ক্যাশ-আউট করুন।
তিন স্তরের প্রগ্রেসিভ জ্যাকপট — মেগা, মাজোর ও মিনি। প্রতি মিনিটে পুল বাড়ছে। মিনিমাম বেটেও মেগা জ্যাকপট ট্রিগার হতে পারে।
রাত-দিন যেকোনো সময় বাংলায় লাইভ চ্যাট সাপোর্ট। ইংরেজি না জানলেও সমস্যা নেই — আমাদের টিম সবসময় আপনার ভাষায় কথা বলতে প্রস্তুত।
ওয়েলকাম বোনাস, রিলোড অফার, ক্যাশব্যাক, ফ্রি স্পিন — abce67-এ নিয়মিত খেলোয়াড়দের জন্য প্রতি সপ্তাহে নতুন অফার থাকে।
নিজের সীমা নিজেই ঠিক করুন। দৈনিক বাজেট, স্ব-বিরতি, কুলিং অফ পিরিয়ড — abce67 চায় আপনি সুস্থ ও নিরাপদ থাকুন।
কয়েক বছরের পরিশ্রম ও বিশ্বাসের গল্প — একটি উদ্যোগ থেকে বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষ বেটিং প্ল্যাটফর্ম।
abce67-এ কাজ করার প্রতিটি মানুষ এই মূল্যবোধগুলো ধারণ করেন।
অনলাইন বেটিংয়ে বিশ্বাস একদিনে তৈরি হয় না — এটা গড়ে ওঠে প্রতিটি লেনদেনে, প্রতিটি সাপোর্ট কলে, প্রতিটি পেআউটে। abce67 গত কয়েক বছরে যা করেছে তার সবচেয়ে বড় উদাহরণ হলো — কোনো উইথড্রয়াল আটকে দেওয়া হয়নি। অনেক প্ল্যাটফর্মে দেখা যায়, বড় অঙ্কের জয়ের পর নানা অজুহাতে পেমেন্ট বিলম্বিত হয়। abce67-এ সেই নজির নেই।
নিরাপত্তার দিক থেকে abce67 আপোষ করে না। প্রতিটি অ্যাকাউন্টে টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন চালু রাখার সুবিধা আছে। পেমেন্ট ডেটা কোনো তৃতীয় পক্ষের সাথে শেয়ার করা হয় না। সন্দেহজনক কার্যকলাপ শনাক্ত হলে স্বয়ংক্রিয় সতর্কতা পাঠানো হয় — এই সিস্টেমটা অনেক বড় আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মের সমতুল্য।
abce67-এর গেম পোর্টফোলিও সম্পর্কে একটু বলা দরকার। প্ল্যাটফর্মে ১,২০০-এরও বেশি গেম আছে — স্লট, লাইভ ক্যাসিনো, টেবিল গেম, ভার্চুয়াল স্পোর্টস। সব গেম বিশ্বের শীর্ষ গেম ডেভেলপারদের তৈরি এবং প্রতিটির RTP তৃতীয় পক্ষের অডিটে যাচাই করা। abce67 নিজে কোনো গেম তৈরি করে না — ফলে কোনো স্বার্থের দ্বন্দ্ব নেই।
খেলাধুলার ক্ষেত্রে abce67-এর মনোযোগ স্বাভাবিকভাবেই ক্রিকেটের দিকে সবচেয়ে বেশি। আইপিএল, বিপিএল, টেস্ট ক্রিকেট, টি-টোয়েন্টি সিরিজ — প্রতিটি ম্যাচে ৫০ থেকে ১৫০টির বেশি বেটিং মার্কেট থাকে। লাইভ স্ট্রিমিংয়ের সুবিধায় ম্যাচ দেখতে দেখতে বেট দেওয়া যায়। এই অভিজ্ঞতাটা অনেকে বলেন সরাসরি মাঠে বসে খেলা দেখার আনন্দের কাছাকাছি।
abce67-এর ভবিষ্যত পরিকল্পনার মধ্যে আছে আরও উন্নত মোবাইল অ্যাপ, আরও বেশি বাংলাদেশি খেলাধুলার কভারেজ এবং নতুন পেমেন্ট পদ্ধতি যোগ করা। পাশাপাশি দায়িত্বশীল গেমিং কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনাও চলছে — কারণ abce67 মনে করে একটি টেকসই বেটিং কমিউনিটি গড়ে তোলাই দীর্ঘমেয়াদে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
abce67 ব্যবহার করতে গিয়ে যা অনেকে জানতে চান
নিবন্ধন বিনামূল্যে। বিকাশে মাত্র ৳২০০ থেকে শুরু। প্রথম ডিপোজিটে ১৫০% বোনাস — abce67-এ আসুন, নিজেই পার্থক্যটা অনুভব করুন।